সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নিদর্শন বহন করছে লালমনিরহাট শহরের শতবর্ষী মসজিদ ও মন্দির। একই আঙ্গিনায় অবস্থিত মসজিদ ও মন্দিরে নানা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় একই জায়গাতে। হানাহনী ও মতবিরোধ ছাড়াই ধর্মীয় আচার পালান করে আসছেন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ। স্থানটি দেখতে আসেন দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ। যার অনেক নিদর্শণ ছড়িছিটিয়ে আছে দেশের নানা প্রান্তে। এমনই একটি দর্শনীয় স্থান লালমনিরহট জেলা শহরের পুরাণ বাজার এলাকায় অবস্থিত পাশাপাশি মসজিদ ও মন্দির।
এ দুটি স্থাপনা নির্মাণের কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও জনশ্রুতি রয়েছে ১৮৯৫ সালে দুর্গা মন্দির প্রতিষ্ঠার আগে এখানে কালী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় পুরান বাজার এলাকা অনেকের কাছে কালিবাড়ি নামে পরিচিত।
আর ১৯০০ সালে এখানে একটি নামাজ ঘর নির্মিত হয়। এ নামাজ ঘরটিই পরবর্তীতে পুরাণ বাজার মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে। এরপর থেকে সম্প্রীতির সঙ্গে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করে আসছে দুই সম্প্রদায়ের মানুষ।
মসজিদ ও মন্দির কমিটির সদস্যরা বসে ঠিক করে নেন কখন এবং কিভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করা হবে।
মসজিদ-মন্দির সংলগ্ন খোলা জায়গাটিতে পূজা উপলক্ষ্যে যেমন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মেলা বসে, তেমনি মুসলমানদের ওয়াজ মাহফিল ও জানাযা নামাজও অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।