সরকারি-বেসরকারি কোনো ব্যাংকই কয়েন জমা না নেয়ায় যশোরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে জমা পড়েছে কোটি টাকারও বেশি কয়েন।
এক, দু্ই ও পাঁচ টাকার কয়েন নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার প্রায় একশ বেকারি মালিকেরা। কয়েন জমা না নেয়ায় অর্থ সংকটে অনেকের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, যশোর জেলায় শতাধিক বেকারি রয়েছে। এসব বেকারিতে কাজ করে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার শ্রমিক।
বেকারিতে ওইসব খাদ্য সামগ্রি বিক্রি হয় তার অনেক কিছুর দামই এক থেকে ৫ টাকার মধ্যে। ক্রেতারা অনেক সময় কয়েন দিয়ে মূল্য পরিশোধ করায় এসব বেকারিতে প্রতিদিন জমা পড়ছে অসংখ্য কয়েন।
তবে যশোরের কোনো ব্যাংককেই এখন কয়েন জমা নিচ্ছে না। এতে প্রত্যেক বেকরিতেই জমা হয়েছে লাখ টাকার কয়েন।
বেকারি মালিকদের অভিযোগ প্রায় কোটি টাকা মূল্যের কয়েন ব্যবহার করতে না পারায় অর্থ সংকটে পড়েছেন তারা। প্রশাসনের কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি।
সংবাদ সম্মেলন, স্মারক লিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন বেকারি মালিকরা।
ব্যাংক কয়েন জমা না নিলে ব্যবসা বন্ধ করে আন্দোলনে নামা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না বলে জানান জেলা বেকারি মালিকরা।
ব্যাংক কয়েন জমা না নিলে ব্যবসা বন্ধ করে আন্দোলনে নামা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না বলে জানান জেলা বেকারি মালিক সমিতি সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান।
যশোর সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মোশরফ হোসেন বলেন, লোকবল সংকটের কারণে তারা কয়েন সংগ্রহ করতে পারছেন না।
এদিকে, যশোর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সোহেল হাসান বলেন, ব্যাংকগুলো যদি কয়েন জমা না নেয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।