সরকারীভাবে শরীয়তপুরের মঙ্গলমাঝি লঞ্চঘাটের ইজারা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে যাত্রিদের কাছ থেকে টোল আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এ অবস্থা চললেও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।
যাত্রীদের অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই বিআইডব্লিওটিএর ইজারাদার ও তার লোকজন এ টাকা আদায় করছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঢাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হিসাবে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও বরিশাল জেলার কয়েক লাখ মানুষ শরীয়তপুরের জাজিরা মাঝিরঘাট ভায়া শিমুলিয়া নৌরুটটি ব্যবহার করেন। এ রুটে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ লঞ্চ ও সিবোট যোগে পদ্মা পাড়ি দিয়ে শিমুলিয়া হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করেন। আর এ সুযোগে ইজারার নামে বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
তারা বিআইডব্লিওটিএর কাছ থেকে ট্রলার ও সিবোট ঘাটের ইজারা আনলেও সরকারী নির্দেশকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে লঞ্চঘাটের যাত্রিদের কাছ থেকেও ১০টাকা করে ইজারা আদায় করছে।
এদিকে, যাত্রীদের কাছ থেকে টোলের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নানা অনিয়ম ও হয়রানী বন্ধ করতে জাজিরার মাঝিরঘাট বিআইডব্লিওটিএ লঞ্চঘাটের ইজারা আগেই বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীদের অভিযোগ প্রকাশ্যে টোল আদায় করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না সাধারণ যাত্রীরা।
ইজারাদারের অবৈধ অর্থ আদায় ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক রাম চন্দ্র দাস।