মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর রায় কার্যকরের পর তার মরদেহ রাউজানে দাফন করতে দেবে না এলাকাবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা। সমাবেশ করে এ ব্যাপারে ঘোষণাও দিয়েছে রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এদিকে, সাকা চৌধুরীর রায় কার্যকরের পর তার মরদেহ রাউজানে দাফন করতে দেবে না বলে অঙ্গীকার করেছে এলাকাবাসী।
আর ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধাদেরও একই অঙ্গীকার- তারাও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে ফরিদপুরে দাফন করতে দেবেন না।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জন্মস্থান চট্টগ্রামে রাউজানের গহিরায়। স্বাধীনতার আগে ও পরে পুরো রাউজানজুড়ে সালাউদ্দিন কাদেরের পরিবারের বিশেষ প্রভাব ছিল।
একাত্তরে রাউজানের সুলতানপুরের জগৎমল্ল পাড়া, উনসত্তর পাড়া, কুণ্ডেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যাযজ্ঞ চালানোর দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে।
ফরিদপুরের বকচর, খাবাসপুর ও কোতয়ালী থানার মাচ্চার গ্রামের একজনকে ধর্ষণ, লুটপাট ও ৯ জনকে হত্যাসহ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি জড়িত ছিলেন আলবদর কমান্ডার আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।
এছাড়াও দেশজুড়ে তার নেতৃত্বে আলবদর বাহিনী ধর্ষণ ও হত্যাযজ্ঞসহ নানা মানবতাবিরোধী অপরাধ চালায়।
এদিকে, ফরিদপুরবাসীরও একই অঙ্গীকার, তারা যুদ্ধাপরাধী মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের পর তার মরদেহ কোনোভাবেই ফরিদপুরে দাফন করতে দেবে না।