মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও আলবদর কমান্ডার আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রামের রাউজানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় সাকা চৌধুরীকে। মুজাহিদকে দাফন করা হয় নিজ গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুর মাদ্রাসা প্রঙ্গণে।
এর আগে কড়া নিরাপত্তায় স্বজনদের অংশগ্রহণে এ দুই যুদ্ধাপরাধীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাঁসি কার্যকর পর কারা আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ বহনকারী এম্বুলেন্স।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহসড়ক দিয়ে কুমিল্লা- ফেনী হয়ে রোববার সকালে রাউজানের গহিরায় পৌছায়। কুখ্যাত এ যুদ্ধাপরাধীর মরদেহ বহনকারী এম্বুলেন্সকে ঘিরে ছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রোববার সকাল গহিরায় গ্রামের বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোর পর অনুষ্ঠিত হয় নামাজে জানাজা। পরিবারের সদস্য ও আত্মিয়স্বজনরা জনাজায় অংশ নেন।
পরে পারিবারিক কবরস্থানে ছোট ভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীর পাশে দাফন করা হয় মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরিকে।
এদিকে, আরেক যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মরদেহ কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রোববার ভোর সাড়ে ৬টায় গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবদুর রশিদ যুদ্ধাপরাধী মুজাহিদের মরদেহ বুঝে নেন।
পরে স্থানীয় মাদ্রাসা প্রঙ্গণে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবারের সদস্য ও আত্মিয়রা এ জানাযায় অংশ নেন।
পরে সেখানেই দাফন করা হয় বাঙালি বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাকারী এ বদর কমান্ডারকে।