দিনাজপুরের কান্তজিউর মন্দিরের রাস মেলায় ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এরইমধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে মেলার ইজারাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫০ জনকে আসামি করে কাহারল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এদিকে, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কান্তজিউ রাস মেলায় বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহত ৬ জনকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা হলেন-রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার দামুদরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মোকাদ্দেস (২৩), নীলফামারী সদর উপজেলা শহরের ননীগোপালের ছেলে সাধন (৩৫), দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার দশমাইল এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে জব্বার (২৮), একই এলাকার করিমের ছেলে সাইদুর (২৭), বীরগঞ্জ উপজেলার রমাকান্ত (২২) ও মিঠু (৩০)।
ঘটনার পর থেকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে পুরো মন্দির এলাকায়। নাশকতাকারিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনার পর থেকে মন্দির এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেলার ইজারাদার মো. হারেছ আলী শাহ বাদি হয়ে কাহারোল থানায় ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে রাস মেলার ভোলানাথ যাত্রা প্যান্ডেলে পর পর ৩টি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণের মাত্রা অনুযায়ী ককটেল নয় বরং অন্য কোনো বোমা হতে পারে বলে ধারনা তাদের।
এ ব্যাপারে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার রুহুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এগুলো ককটেল জাতীয় বোমা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আটক করতে রাত থেকেই পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে এবং ঘটনাস্থলে দিনাজপুর সদর ও কাহারোল পুলিশ একযোগে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, এগুলো ককটেল বোমা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, দিনাজপুরের পর্যটন কেন্দ্র কাহারোল উপজেলার কান্তজিউ মন্দির প্রাঙ্গনে ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মাস ব্যাপী রাসমেলা শুরুর ১০ দিনের মাথায় শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে যাত্রাপালা চলাকালে পর পর ৩টি ককটেলের বিষ্ফোরণ ঘটে।