নড়াইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
গত মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার সীমাখালী গ্রামে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারা চেষ্টা করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, নড়াইল সদর উপজেলার সীমাখালী গ্রামের বসবাস করতেন কয়েজ বেগ ও সবিতা খানম দম্পতির। তাদের রয়েছে ৫ ও ৩ বছর বয়সের দুই কন্যা সন্তান। যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সবিতার খানমের সঙ্গে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরোধ চলে আসছিল। গত মঙ্গলবার রাতে স্বামী কয়েজ বেগ, শ্বাশুড়ী রহিমা বেগম ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন সবিতার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর থেকেই সবিতার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
নড়াইল সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মশিউর রহমান বাবু বলেন, শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় সবিতায় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।
এদিকে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান নড়াইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক আবুল কাশেম।