বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ- বৃহস্পতিবার। ১৯৭১ সালের এদিনে পাকিস্তানি শত্রুদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ তিনি। শহীদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা ও দোয়াসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর।
এদিকে, গ্রন্থাগার ও জাদুঘরটিকে আরো সমৃদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন, শহীদের স্বজন ও এলাকাবাসী।
১৯৩৪ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বাগপাঁচড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়র হিসেবে নৌবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৭১ সালের এপ্রিলে ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তর ২নং সেক্টরে স্থলযুদ্ধে যোগ দেন তিনি। পরে যুদ্ধজাহাজ 'পলাশের' আর্টিফিসার অফিসার হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে ‘পলাশ’ জাহাজটি নিয়ে খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে পৌঁছান তিনি। ১০ ডিসেম্বর বিমান থেকে বোমা হামলার মুখেও জাহাজ ছেড়ে পালিয়ে না গিয়ে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন তিনি।
শহীদের স্মৃতি সংরক্ষণে ২০০৮ সালে উদ্বোধন করা হয় শহীদ মো. রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর কমপ্লেক্স। এর দেখা শোনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা পরিষদের। গ্রন্থাগারে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বিভিন্ন বই বলে জানান মো. আলাউদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক।
কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারণে আজও পূর্ণতা পায়নি এ গ্রন্থাগার ও জাদুঘর বলে জানান তিনি।
গ্রন্থাগার ও জাদুরঘরটিকে আর সমৃদ্ধ করে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা সম্ভব বলে মনে করছেন শহীদ পরিবারের সদস্য- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের নাতি সোহেল চৌধুরী।