সাতক্ষীরায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আবু সাঈদ নামের এক ডাকাত দলের সর্দার নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩ জন। এসময় ওই এলাকা থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার কাপাসডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ ডাকাতরা হলো: খুলনার কয়রা উপজেলার আরিফুজ্জামান (২০), ঘুগরাকাটি গ্রামের তরিকুল ইসলাম গাজী (২১) ও পটুয়াখালী জেলার সুপখালী গ্রামের সুবেল খান (২২)। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার কাপাসডাঙ্গা এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে যাত্রীবাহী পরিবহনে ডাকাতির চেষ্টাকালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার আবু সাঈদ নিহত ও তার ৩ সহযোগী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, একটি দেশিয় রিভলবার, দুইটি বন্দুকের কার্তুজ, ৪টি বন্দুকের গুলির খোসা, ২টি বড় ধাঁরালো দা ও ৪টি লোহার রডসহ ডাকাত দলের আরো চার সদস্যকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে আটককৃতরা হলো, জেলার পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা আচিমতলা গ্রামের আবুল কাসেম (৩০), তৈলকুপি গ্রামের সুমন ইসলাম (২৮), সেনপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম (৩৬) ও বান্দরবান জেলার লামা থানার লাহিনঝিরি গ্রামের রবিউল ইসলাম (১৮)।
পাটকেলঘাটা থানার ওসি তরিকুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, একদল ডাকাত কাপাসডাঙ্গা এলাকায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের ওপর গাছের গুড়ি ফেলে যানবাহনে ডাকাতির জন্য ওঁৎ পেতে আছে- এমন খবরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ডাকাতরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ১৫ মিনিট এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে ডাকাত সর্দার আবু সাঈদ নিহত হয়।
ওসি আরো বলেন, এ ঘটনায় আটক ৭ জনকে আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
সাতক্ষীরায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আবু সাঈদ নামের এক ডাকাত দলের সর্দার নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩ জন। এসময় ওই এলাকা থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার কাপাসডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ ডাকাতরা হলো: খুলনার কয়রা উপজেলার আরিফুজ্জামান (২০), ঘুগরাকাটি গ্রামের তরিকুল ইসলাম গাজী (২১) ও পটুয়াখালী জেলার সুপখালী গ্রামের সুবেল খান (২২)। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার কাপাসডাঙ্গা এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে যাত্রীবাহী পরিবহনে ডাকাতির চেষ্টাকালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার আবু সাঈদ নিহত ও তার ৩ সহযোগী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, একটি দেশিয় রিভলবার, দুইটি বন্দুকের কার্তুজ, ৪টি বন্দুকের গুলির খোসা, ২টি বড় ধাঁরালো দা ও ৪টি লোহার রডসহ ডাকাত দলের আরো চার সদস্যকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে আটককৃতরা হলো, জেলার পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা আচিমতলা গ্রামের আবুল কাসেম (৩০), তৈলকুপি গ্রামের সুমন ইসলাম (২৮), সেনপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম (৩৬) ও বান্দরবান জেলার লামা থানার লাহিনঝিরি গ্রামের রবিউল ইসলাম (১৮)।
পাটকেলঘাটা থানার ওসি তরিকুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, একদল ডাকাত কাপাসডাঙ্গা এলাকায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের ওপর গাছের গুড়ি ফেলে যানবাহনে ডাকাতির জন্য ওঁৎ পেতে আছে- এমন খবরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ডাকাতরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ১৫ মিনিট এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে ডাকাত সর্দার আবু সাঈদ নিহত হয়।
ওসি আরো বলেন, এ ঘটনায় আটক ৭ জনকে আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।