সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ও যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় মঙ্গলবার ১৭ জন মারা গেছেন।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের গাড়দহে নসিমন ও ট্যাংকলড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন মারা যান। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ভোরে হাটিকুমরুল-নগড়বাড়ি মহাসড়কের গাড়গহ নামক স্থানে পোরজনার মহারাজপুর থেকে উল্লাপাড়াগামী যাত্রীবাহী একটি নসিমনকে উত্তরবঙ্গ থেকে বাঘাবাড়িগামী একটি ট্যাংকলরি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জনের মৃত্যু হয়।
তারা হলেন: বড়মহারাজপুর গ্রামের আজুফা (৬০), অঞ্জনা (২৫), মকবুল হোসেন (৪০), সোবাহান (৩৫) ও বন্যা (১১)।
আহত হন কমপক্ষে ৫ জন। তাদেরদের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে আরো ৩ জনের মৃত্যু হয়।
এদিকে, রাজশাহীতে যাত্রীবাহী দুটো বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ৪৮ জন।
বেলা একটার দিকে মহানগরের মাসকাটা দিঘি পশ্চিমপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে রাজশাহী-নাটোর সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (পূর্ব) আবু জাফর বলেন, ঢাকা থেকে ন্যাশনাল ট্রাভেলসের একটি বাস রাজশাহী শহরে ঢুকছিল। অন্যদিকে আরেকটি বাস রাজশাহীর বাগমারার তাহেরপুরে যাচ্ছিল। বেলা একটার দিকে দুটো বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাপা পড়ে একটি অটোরিকশাও। পরে আহত অবস্থায় ৫৩ জনকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে ৫ জন মারা যান আর ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয় ২ জনের মরদেহ।
এছাড়াও যশোর-বেনাপোল সড়কের মালঞ্চীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
বেনাপোল থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস যশোরে আসার সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১১টার দিকে যশোর-বেনাপোল রুটের একটি বাস বেনাপোল থেকে যশোর আসার পথে মালঞ্চীতে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
তাদের দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাদের মধ্যে ওহেদ আলী ও আয়ুব হোসেন নামে ২ জন মারা যান। ওহেদ আলী সদর উপজেলার মালঞ্চী এবং আয়ুব হোসেন তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।