হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গসহ যশোর, মৌলভীবাজারের জনজীবন। দিনের বেশিরভাগ সময় দেখা মিলছে না সূর্যের। সেইসঙ্গে বইছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের। কাজে বের হতে না পারায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন দিনমজুরেরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঘন কুয়াশার সঙ্গে ঠাণ্ডা বাতাস। সূর্যের দেখা পেতে সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে যায়। তাই কোথাও একটু রোদ কিংবা খড়কুটোর আগুন দেখলে জড়ো হয়ে কিছুটা শীত নিবারণ করছে মানুষ।
যশোর ও আশপাশের জেলায় পৌষের প্রথমদিন থেকে শুরু হওয়া শৈত্য প্রবাহ এখনও অব্যাহত রয়েছে। এসব এলাকায় বেড়েছে শীতের প্রকোপ। ঘন কুয়াশা এবং আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সকাল থেকেই দেখা মিলছে না সূর্যের। মঙ্গলবার যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দশ দশমিক শূণ্য ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের প্রকোপ বেশি হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার ছিন্নমূল মানুষেরা। একদিকে শীতবস্ত্রের অভাব, অন্যদিকে কাজ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
তীব্র শীতে বিপর্যস্ত গাইবান্ধার জনজীবনও। শীতবস্ত্র না থাকায় খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছেন তারা।
এদিকে, মৌলভীবাজারে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.০৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র ঠান্ডার কারণে এসব এলাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন বৃদ্ধ, শিশু ও দরিদ্র মানুষেরা।