শৈত্যপ্রবাহ, হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত মৌলভীবাজার, দিনাজপুর, শেরপুর ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার জনজীবন।
সর্বনিম্ন ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারে। তীব্র শীতে দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার বৃদ্ধ, শিশু আর ছিন্নমূল শ্রমজীবী মানুষেরা।
শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। এদিকে, তীব্র শীতের কারণে রবিশষ্যের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
পৌষের শুরুতেই শীত জেকে বসেছে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দিনাজপুরে বিকেল না হতেই কুয়াশায় ঢেকে যায় জনপদ। শৈত্যপ্রবাহে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
তাপমাত্রা গড়ে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে— শৈতপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন।
এদিকে, দেশের সর্বনিম্ন ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারে। বিশেষ করে চা বাগান এলাকায় কনকনে শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের ও খেটে খাওয়া মানুষ ও চা শ্রমিকদের জীবন।
শীতের কারণে জেলার হাসপাতালগুলোতে ডাইরিয়া ও নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত শিশু ও শীতজনিত স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর চাপ বেড়েছে।
কুয়াসার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে সড়ক পথে যানচলাচল।
ঘন কুয়াশা আর শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শেরপুর ও যশোরসহ দেশের বেশ কিছু জেলা। তীব্র শীতের কারণে এসব এলাকায় ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়া প্রতিষ্ঠান। তবে ক্রেতাদের ভিড় দেখা দিয়েছে শীত বস্ত্রের দোকানে। উষ্ণতার জন্য দিনের বেলাতেও আগুন পোহাচ্ছে মানুষ।