বরগুনায় পৌরসভা নির্বাচনে ভোটের মধ্যে সংঘর্ষে আহত নুরুল ইসলাম (৬৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বরগুনা সদর হাসপাতলে আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিতকরেছেন।
তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
জানা গেছে, নুরুল ইসলাম সদর উপজেলার ভূপতি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
রিটার্নং অফিসার মো. আবদুল্লাহ বলেন, ভোট চলাকালে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থীর সমর্থকরা বরগুনা পৌর এলাকার গগণ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে সিল মারার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। এতে নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ কমক্ষে ১০ জন আহত হন।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি রিয়াদ হোসন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় কেন্দ্রের বাইরে ‘পদদলিত হন’ নুরুল ইসলাম।
বুধবার ভোটের সময় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে আহত হন অর্ধশতাধিক।
এদিকে, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত কাশেম মিয়া সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর রকিবুল উদ্দিন মৌলভী বুধবার রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন। আশংকাজনক অবস্থায় তিনি চিকিৎসাধীন আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।