টঙ্গির তুরাগ তীরে আগামী ৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা। মুসল্লিদের অবস্থান ও ইবাদত বন্দেগির জন্য ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতি প্রায় শেষপর্যায়ে। এবার থেকে নতুন ব্যবস্থায় হচ্ছে ইজতেমা।
এবছর প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত হবে ১০ জানুয়ারি। আর দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ১৫ জানুয়ারি। ১৭ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ঢাকাসহ ৩৩টি জেলার মুসল্লিরা এবার দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেবেন। গাজীপুরসহ বাকি ৩১ জেলার মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দেবেন আগামী বছর। কয়েক হাজার বিদেশি মুসল্লি অংশ নিচ্ছেন ইজতেমায়। অন্যান্যবারের মতো এবারো নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বিশ্ব ইজতেমার ময়দানের প্রস্তুতি কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। ১৬০ একরের ইজতেমা মাঠে এরইমধ্যে টাঙ্গানো হয়েছে সামিয়ানা। চট ও বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে জেলা ওয়ারী খিত্তা। মাঠের উত্তর-পশ্চিম কোণে তৈরি করা হয়েছে বিদেশিদের জন্য টিনশেডের নিবাস।
শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গণজমায়েত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
এবার থেকে নতুন নিয়মে হচ্ছে ইজতেমা। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ঢাকাসহ ৩৩টি জেলার মুসল্লিরা দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিবেন। প্রথম পর্বে এই ৩৩ জেলার মধ্যে ১৭টি জেলার মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। আর দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিবেন বাকি ১৬টি জেলার মুসল্লিরা। অন্যদিকে আগামী বছর গাজীপুরসহ দেশের বাকি ৩১টি জেলার মুসল্লিরা অংশ নিবেন বিশ্ব ইজতেমায়।
এদিকে, গতবারের তুলনায় এবারও বাড়ানো হয়েছে সুপেয় পানি, ওজু-গোসলের সুযোগ-সুবিধা। রয়েছে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ইজতেমায় আসেন বলে জানান মুসল্লিরা।
মুসল্লিদের নিরাপত্তায়ও নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। র্যা ব, পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও ময়দানে কাজ করবে। এছাড়াও, গতবারের তুলনায় এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান টঙ্গি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার।