আজ ৭ জানুয়ারি! ৫ বছর আগে এদিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারায় কিশোরী ফেলানী। কাঁটাতারের বেড়ায় ৪ ঘণ্টা ঝুলে থাকে তার মৃতদেহ।
দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে কাঁটাতারে ফেলানীর ঝুলে থাকা মৃতদেহের ছবি সমালোচনার ঝড় তোলে বিশ্ব জুড়ে। পরে, ২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
আদালতে সাক্ষী দেন প্রত্যক্ষদর্শী বাবা নুর ইসলাম ও মামা আব্দুল হানিফ। অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমীয় ষোষকে ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিশেষ আদলত বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
সমালোচনা ও আপত্তির মুখে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার শুরু হয়। এবারও অমিয় ঘোষের বেকসুর খালাসের রায় বহাল রাখে আদালত।
বিএসএফ'র বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার না পেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট আবেদন করেছেন ফেলানীর বাবা।
রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যা মামলার শুনানির তারিখ ছিল ১৫ ডিসেম্বর। বেঞ্চ পুনঃগঠনের কারণে আবারো পিছিয়ে যায় বিচারিক কার্যক্রম।
এ ঘটনার পর বিএসএফের গুলিতে গত ৫ বছরে ফুলবাড়ী উপজেলা সীমান্তে মারা গেছে আরও ৬ বাংলাদেশি।