ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় ভোলার মনপুরায় শনিবার ৩ জন বৃদ্ধ মানুষ মারা গেছেন। এদিকে, উত্তরাঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রাম
ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায়ও হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
শনিবার সকাল থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় কাজে যেতে পারছে না নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। রেহাই পাচ্ছে না গবাদি পশুও। বোরো মৌসুম শুরু হলেও কনকনে ঠাণ্ডায় মাঠে কাজ করতে পারছে না কৃষকরা।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, আজ এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থা চলতে থাকলে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলে জানান তিনি।
সকাল থেকে ঘন কুয়াশা ও উত্তরীয় হিমেল হওয়ায় কুড়িগ্রামে ঠাণ্ডার প্রকোপ বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকগুণ।
দিনাজপুর:
দুদিন আগে বৃষ্টিতে দিনাজপুরে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহের ফলে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমেছে। দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল তাপমাত্রা ছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল বাতাসে দিনাজপুরসহ এসব অঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। কর্মজীবী মানুষ ও পেটের তাগিদে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে চরমে। জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যারা বের হয়েছেন তারা পড়ছেন বিপাকে।
যশোর:
যশোরে হাড় কাপানো শীত অব্যাহত রয়েছে। গত বুধবারের বৃষ্টির পর তৃতীয় দিনেরমত তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ। গত ৩ দিন ঘন কুয়াশার পাশাপাশি বয়ে যাচ্ছে হিমেল হাওয়া। এতে জবুথবু হয়ে পড়েছে প্রাণীকূল।
যশোরাঞ্চলের ছিন্নমূল মানুষের জীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।
আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গতকালের চেয়ে আজ- শনিবার যশোরে শীতের তীব্রতা আরো বেড়েছে।
গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে আজ সকালে যশোরে তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে বাতাসের আদ্রতা ছির ৯৭ শতাংশ।