চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে শ্যালিকা ও দুলাভাইকে বেদম প্রহার করা হয়েছে।
শারীরিক নির্যাতনের পর নিজেদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে দুই জনকে বিয়ে দেয়া হয়। এঘটনায় নির্যাতিতা নারী বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলেও কাউকে আটক করা হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার জোড়গাছা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী শিলনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন দুলাভাই ওয়ারেস আলী। ওই দিন শিলনের স্ত্রী রাফেজা ও ওয়ারেস আলীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজের অভিযোগ এনে তাদের আটক করে গ্রামের কয়েকজন যুবক। গ্রাম্য সালিশে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের উপস্থাতিতে অভিযুক্ত দুই জনকে বেদম প্রহার করে একসঙ্গে বেঁধে রাখে স্থানীয় কয়েকজন যুবক। শারীরিক নির্যাতনের পর রাফেজাকে বাধ্য করা হয় তার প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিতে। পরে নিজেদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে ওয়ারেস আলীর সঙ্গে রাফেজার বিয়ে দেয়া হয়।
এ ঘটনায় নির্যাতিতা রাফেজা বাদী হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমডাঙ্গা আমলী আদালতে ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান চুয়াডাঙ্গা জজকোর্টের আইনজীবী আহসান আলী।
এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি অভিযুক্ত আসামিরা।
এদিকে, এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কাথা জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস।