ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় সারাদেশে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। শীতে ভোলা ও চুয়াডাঙ্গায় ৪ জন মারা গেছেন।
রোববার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০ ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকড় করা হয়েছে।
কুড়িগ্রামে ২ দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
উত্তরীয় হিমেল হওয়ায় ঠাণ্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কাজে যেতে পারছে না শ্রমজীবী মানুষেরা। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। বিশেষ করে বিপাকে পড়েছে নদ-নদীর অববাহিকার চর ও দ্বীপচরের মানুষজন। রেহাই পাচ্ছে না গবাদি পশুও। বোরো মৌসুম শুরু হলেও কনকনে ঠাণ্ডায় মাঠে কাজ করতে পারছে না কৃষকেরা।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, আজ এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থা চলতে থাকলে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে ভোলায় তীব্র শীতে কাপছে মানুষ। হাড় কাপানো শীতে গত দুই দিনে এক শিশুসহ মারা গেছে ৪জন। শীতের কারনে ঘর থেকে বের হতে পারছেনা দিনমজুর আর খেটে খাওয়া মানুষ। জেলার হাসপাতালগুলোতেও শীতজনিত রোগে অসুস্থ রোগীদের ভীড়।
এদিকে জেলায় মৌসুমে সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করায় দুর্ভোগে পড়েছেন হতদরিদ্ররা। শীত বস্ত্র না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
হাড় কাপানো শীত যেন দিন দিন বেড়েই চলছে, আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের জন্য কেউ কেউ চেষ্টা করলেও শিশু ও বৃদ্ধরা পড়ছেন চরম বিপাকে। শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষেরা।
হাসপাতালগুলোতে নিউমোনিয়াসহ শতীজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের ভীড় জমেছে। গত দুই দিনের জেলায় শীতজনিত কারণে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শীতার্থ বহু মানুষ শীত বস্ত্র পায়নি বলে অভিযোগ উঠেঠে।
ভোলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, এ মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছে, জানুয়ারি শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা বলেন, শীতার্ত মানুষের দুভোগ লাগবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে।