বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সীমান্ত চুক্তির আওতায় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার খাসিয়া ও গারোদের ভূমির দুই-তৃতীয়াংশ ভারতের অংশ হিসেবে জরিপে দেখানোয়, তা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম ও পল্লাথল পুঞ্জিবাসী।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশের জমি কী করে ভারতের হয়ে যায়, এ বিষয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সংলাপের আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাদেশের জমি কী করে ভারতের অংশ হয়ে যাবে এ বিষয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সংলাপের আহ্বান জানান বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং।
এ সময় তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ সরকার খাসিয়া এবং গারোদের মানবাধিকার রক্ষা, তাদের জীবিকা নির্বাহের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা না করলে ঐতিহ্যগত ভূমি থেকে উচ্ছেদ হবে তারা।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে পাল্লাথল পুঞ্জি পরিদর্শন করে এ ব্যাপারে রিপোর্ট দেয়ারও আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সীমান্ত চুক্তি সম্পাদনের পর দেখা যায়, মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গারো ও খাসিয়াদের দখলীয় ভূমির দুই-তৃতীয়াংশ, অপদখলীয় ভূমি বিবেচনায় ভারতের অংশ হিসেবে জরিপে দেখানো হয়। ওই সময় তারা আপত্তি জানালেও জরিপকারীরা তা আমলে নেয়নি।