ঘন কুয়াশায় বরিশালে কীর্তনখোলা নদীর চরকাউয়া চরে ছয় ঘণ্টা ধরে আটকে পড়ে আছে যাত্রীবাহী স্টিমার পিএস মাসুদ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌনিরাপত্তা বিভাগের উপপরিচালক আবুল বাশার মজুমদার বলেন, সকাল ছয়টার দিকে ঘন কুয়াশার কারণে স্টিমারটি চরে আটকা পড়ে। দুপুর ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্টিমারটি আটকে আছে। জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। তখন টাগ জাহাজ দিয়ে স্টিমারটি নামানো হবে।
সকাল ৬টার দিকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে সেখানে আটকে আছে—উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) সহকারী মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে স্টিমারটি খুলনার মোড়েলগঞ্জের দিকে যাত্রা করে। চরে আটকে যাওয়ার পরে সকাল ৭টার দিকে যাত্রীদের উদ্ধার করে নৌকা ও ট্রলারে করে নিয়ে যাওয়া হয়। স্টিমারে অর্ধশত যাত্রী আছে। তারা মোড়েলগঞ্জ রুটে যাবেন।
ঘন কুয়াশার কারণে চালক দিক হারিয়ে ফেলেন— এক পর্যায়ে ১৮০ জন যাত্রীসহ বরিশাল নদী বন্দরের বিপরীত দিকের চরকাউয়ার চরে আটকে যায় এটি। এতে মোড়েলগঞ্জ রুটের ৭০ জন যাত্রী রয়েছে, অন্যরা নৌকা ও ট্রলারযোগ চলে গেছেন বলে জানান আবুল কালাম।