যশোরের মনিরামপুরে এক স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের ঘটনায় পাড়ালা ঋষিপল্লীতে হামলা, মারধর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
মামলায় ১৫ জন আসামি হলেও অহেতুক গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গ্রামের পুরুষরা।
ফলে, পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে গ্রামটি। এলাকাটি কৃষি প্রধান হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে চলমান বোরো আবাদ। বিপাকে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও।
মেয়েদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় গত ৩০ জানুয়ারি যশোরের পাড়ালা ঋষিপল্লীতে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।
এ পল্লীর বাসিন্দা গোবিন্দ, মুকুন্দ ও নীলপদ দাসের ঘর ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।
হামলায় আহত হন ১৫ জন। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনকে আসামি করে এক ছাত্রীর বাবা মামলা করেন। এরপর থেকেই পুলিশি আতঙ্ক বিরাজ করছে গোটা গ্রামে।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ যাকে পাচ্ছে তাকেই আটক করার হুমকি দিচ্ছে— ভয়ে বাড়ি থাকতে পারছে না সাধারণ মানুষও। এদের অনেকেই কৃষক হওয়ায় বোরো মৌসুমে তারা জমিতে কাজ করতে পারছেন না।
আসামিদের মধ্যে তিন জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর নাম থাকায় তাদের লেখাপড়াও ব্যাহত হচ্ছে।
তবে, শুধুমাত্র এজাহারভুক্ত আসামিদের ধরার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহেরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এ মামলায় আদালতে একজনের আত্মসমর্পনসহ ৮ জনকে এ পর্যন্ত আটক করা হয়েছে।
এদিকে, সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গ্রামবাসী।