চার বছর আগে সরকারিভাবে রেলের ভাড়া বাড়ানো হলেও কিশোরগঞ্জের ট্রেনগুলোতে বাড়েনি যাত্রীসেবার মান। বিশেষ করে লোকাল ট্রেনগুলো ২-৩ ঘণ্টা দেরি করে দায়সারা ভাবে চলছে। এছাড়াও শৌচাগার, বিশ্রামাগারসহ পুরো স্টেশনেরই বেহাল দশা।
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা, ভৈরব, ময়মনিংহ ও নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন চলাচল করে কয়েক হাজার যাত্রী।
কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে প্রতিদিন এগার সিন্দু প্রভাতি, এগার সিন্দুর গোধুলী এবং কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস নামে তিনটি যাত্রীবাহী স্পেশাল ট্রেন চলাচল করে।
এছাড়াও প্রতিদিন ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জের ওপর দিয়ে কয়েকটি লোকাল ট্রেনও চলে। কম খরচ এবং আরামদায়ক হওয়ায় ট্রেনে সবসময়ই থঅকে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ট্রেনের সীমিত আসন এবং নানা অব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তির সীমা থাকে না যাত্রীদের।
কিশোরগঞ্জের স্টেশন মাস্টার জহুরুল ইসলাম বলেন, ট্রেনে যাত্রীসেবার মান দিন দিন বাড়ছে এবং অন্যান্য সমস্যাগুলো শিগগিরি সমাধান করা হবে।