চিকিৎসক ও প্রায়োজনীয় জনবল সংকটে রাজবাড়ির পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সেইসঙ্গে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে আর নানা অনিয়মে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।
রাজবাড়ি জেলার পাংশা ও কালুখালী উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ১৯৭৫ সালে স্থাপিত হয় ৫০ শয্যার পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এ দুই উপজেলার ৪ লাখ জনসংখ্যার অনেকেরই বসবাস দারিদ্র্যসীমার নিচে। যাদের পক্ষে জেলার বাইরে গিয়ে চিকিৎসা সেবা নেওয়া সম্ভব নয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৩১ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ১৮ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে এর কার্যক্রম। নার্স পদে ১৪ জনের স্থলে ১০ জন আর সুইপার পদে ৫ জনের স্থলে রয়েছেন ৩ জন।
অ্যাম্বুল্যান্সের চালক না থাকায় রোগী আনা নেয়া করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের। সেইসঙ্গে চিকিৎসায় অবহেলাসহ দুর্ব্যাবহারের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ রোগী ও তার স্বজনদের।
কম জনবল দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয় কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদেরও।
তবে শিগগিরই জনবল সংকট সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ হোসেন।