কক্সবাজার থেকে উড্ডয়নের পর একটি কার্গোবিমান সাগরে বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন ৩ বিদেশি ক্রু। নিহতরা হলেন বিমানটির পাইলট, কো-পাইলট ও নেভিগেটর। বিমানটির আরেক ক্রু কক্সবাজার মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার সকালে উড্ডয়নের পর ৪ জন ক্রুসহ বঙ্গোপসাগরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই নৌবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান চালায় কোস্টগার্ড ও দমকল বাহিনী।
কক্সবাজার দমকল বাহিনীর উপ-সহকারি পরিচালক মো: জসীম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সকাল ৮টা ৪০-এর দিকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ট্রু এভিয়েশনের আন্তনভ ২৬ মডেলের একটি কার্গোবিমান কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে যশোরে চিংড়ি পোনা পরিবহণের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এ সময় বিমানটিতে পাইলট, কো-পাইলট, নেভিগেটর ও ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। উড্ডয়নের পরপরই বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।
এ সময় পাইলট বিমানবন্দরে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও বঙ্গোপসাগরের নাজিরাটেক পয়েন্টে বিধ্বস্ত হয়। খবর পেয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ও একটি হেলিকপ্টার। উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করে কোস্টগার্ড ও দমকল বাহিনীর সদস্যরাও বলে জানান জসীম উদ্দিন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া বলেন, সকাল ১০টার দিকে জেলেদের সহায়তায় বিমানের ২ জন আরোহীকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ওই বিমানের বাকি দুই আরোহীর খোঁজে সাগরে তল্লাশি চালায় নৌবাহিনী। বিকেল ৪টার দিকে বিধ্বস্ত বিমানটির ককপিটের ভেতরে তাদের মৃতদেহ পাওয়া যায়। হতাহতরা প্রত্যেকেই বিদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে।