জেলার খবর

বাঁশখালী সংঘর্ষ

ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করবেন না: কামাল

আবারো সংঘাতের আশঙ্কা বাঁশখালীতে

সংঘাতের আশঙ্কা বাঁশখালীতে
সংঘাতের আশঙ্কা বাঁশখালীতে

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার কথা চেষ্টা করলে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরোধিতা করে চার জনের মৃত্যুর পর পক্ষে-বিপক্ষে দুই অংশের কর্মসূচিতে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ভিটামাটি রক্ষাকারী এলাকাবাসী’ ব্যানারে একপক্ষ প্রকল্প বাতিলে সরকারকে আজ-শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় দিয়ে কাফন মিছিল ও উপজেলা প্রশাসন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

এদিকে, ‘উন্নয়নের পক্ষে এলাকাবাসী’র ব্যানারে একই দিন উপজেলা প্রশাসনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি করবে অপরপক্ষ।

গতকাল পশ্চিম গণ্ডামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শোক সমাবেশ করে ‘ভিটামাটি রক্ষাকারী এলাকাবাসী’ ওই সময় ‘ভিটামাটি রক্ষাকারী এলাকাবাসীর আহ্বায়ক লিয়াকত আলী এ কর্মসুচি ঘোষণা করেন।

একই বক্তব্য ছিল সমাবেশে আসা সাধারণ মানুষেরও— তারা যেকোনো মূল্যে গণ্ডামারা থেকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সরিয়ে নেয়ার দাবিতে অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

এদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দাবিতে রোববার বেলা ১২টায় উপজেলা প্রশাসন চত্বরে মানববন্ধন করার ঘোষণা দিয়েছেন উন্নয়নের পক্ষে এলাকাবাসীর নেতা বাঁশখালী ছাত্রলীগের একাংশের সভাপতি ইমরানুল হক।

কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘ভ্রান্ত ধারণা ও বাস্তব অবস্থা’ শিরোনামের ওই বিজ্ঞাপনে ৪ এপ্রিলের ঘটনাকে ‘স্বার্থানেষী মহলের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যায়তি করেছে।

এত বলা হয়, ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বিদ্যুৎ সচিব এলাকা পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়রা কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে সম্মতি দেয়। তারপরই কেন্দ্রের জন্য ৮৫৫ একর জমি কেনা হয়।

এস আলম গ্রুপের দাবি, ‘বেশি দাম দিয়েই’ এসব জমি কেনা হয়— পাশাপাশি পুরো প্রকল্প এলাকায় থাকা ৩৭টি মাটির ঘরের পরিবর্তে ১৫০টি পাকা ঘর তৈরি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত তারা নেয়। এছাড়াও প্রকল্পে পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে না বলে আন্তর্জাতিক পরিবেশ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান তাদের জানিয়েছে।

এ প্রকল্পে ভূ-গর্ভের কোনো পানি ব্যবহার করা হবে না এবং প্রকল্পের ৩০ শতাংশ জমিতে সবুজায়ন করা হবে। ৪ এপ্রিলের ঘটনায় কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না থাকার পরও এস আলম গ্রুপ নিহতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং নিহতের স্বজন ও আহতদের কর্মসংস্থান করতে চায়।

গতকাল- শুক্রবার তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি চট্টগ্রাম ও বাঁশখালী ঘুরে বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে রক্তক্ষয়ের জন্য ক্ষমতাসীন দল ও এস আলম গ্রুপকেই দায়ী করেছে।

কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ বলেন, “বাঁশখালীর হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী সরকার ও এস আলম। প্রকল্পে নিয়ম ও স্বচ্ছতা রক্ষায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এস আলমও নিয়ম না মেনে জবরদস্তি করে প্রকল্প করার উদ্যোগ নেয়ায় এ সমস্যা হয়েছে।

প্রসঙ্গত: গত ৪ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির মধ্যে বাঁশখালীর গণ্ডামারায় মুজিবের টিলা এলাকায় গুলিতে চারজন নিহত হওয়ার পর থেকে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপার জীবনানন্দ’

শৌচাগারের দরজায় বঙ্গবন্ধুর ছবি পোস্ট, কারাগারে তরুণ

৮ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় চারজনের ফাঁসি

তেঘরিয়া কবরস্থানে সমাহিত হলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল আলী

উখিয়া শরণার্থী শিবিরে দুই রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ তিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ