পুরনো বছরের গ্লানি ও ব্যর্থতাকে ভুলে নানা উৎসব-আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারাদেশে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রা।
১৪২৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে খুলনার সার্কিট হাউজের সামনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠি। এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্থানে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বৈশাখী উৎসব চলছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বের করে মঙ্গল শোভাযাত্রা।
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বরিশাল চারুকলার উদ্যোগে সিটি কলেজের সামনে থেক বের হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা।
এছাড়াও উদীচী ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আলাদা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শোভাযাত্রা করা হয়। চলছে বৈশাখী মেলা।
বাঙ্গালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের উদ্যোগে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পান্তাভাতের আয়োজন করা হয়।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ইপিজেডে সূর্যোদয়ের পরেই বৈশাখী শোভাযাত্রা বরে করেন আদিবাসী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। ডিসি হিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ।
দিনটি উপলক্ষে যশোর কালেক্টরেট অফিস থেকে বের হয় শোভাযাত্রা। সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মিরা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যোগ দেন এতে।
বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মঙ্গল শোভাযাত্রা করার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, জয়পুরহাট, শেরপুর, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, সিলেট, কুষ্টিয়া ও নাটোর।
নাচ, গান, কবিতা, নৃত্যনাট্যর মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হচ্ছে গোপালগঞ্জ, নড়াইলে, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, রাজবাড়ী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদারীপুর, গাজীপুর, খাগড়াছড়ি, চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশে।
এ আনন্দ-আয়োজনের মধ্য থেকে হিংসা, বিদ্বেষ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান সবাই।