ভূমিকম্পে চট্টগ্রামে হেলে পড়া ৯টি ভবনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ওইসব ভবন থেকে কিছু বাসিন্দা নিজ দায়িত্বে সরে গেলেও কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দেশনা দেয়নি।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী রোববার ভবনগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।
বুধবার রাতে মিয়ানমারের ৬.৯ মাত্রার শক্তশালী ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম নগরীর ৯টি ভবন হেলে পড়ে। বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্থ ভবনগুলো পরিদশর্ন করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) ৩ সদস্যের কমিটি। পরে পরিদর্শন শেষে কমিটি ৯টি ভবনকে ঝুকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে।
তবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো বসবাসের উপযোগী কি-না এখনো সে বিষয়ে চুড়ান্ত কিছু জানায়নি কমিটি।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) চেয়ারম্যামন আব্দুচ ছালাম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ভবনগুলোর বাসিন্দাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সরে যেতে বলা হয়নি। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি টিমের সঙ্গে চউকের বিশেজ্ঞরা যৌথভাবে বিশ্লেষন করে আগামী রোববার করণীয় সম্পর্কে মতামত জানাবেন।
এদিকে, চউকের নগর পরিকল্পনাবিদ শাহীনুর ইসলাম খান বলেন, এখনই ভবনগুলোকে সঠিক সিদান্ত না নিলে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে।
বুধবারের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকায় একটি পোশাক কারখানা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হল থেকে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অর্ধশতাধিক আহত হন।