মৌমাছির সংকটে পরাগায়ন পর্যাপ্ত না হওয়ায় পেঁয়াজের বীজ তৈরি হচ্ছে না নাটোরে। পরাগায়নের অভাবে ফুল শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষি অফিসের কোনো সহযোগিতা ও পরামর্শ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ কৃষকরা। তবে, কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।
এদিকে, রাজবাড়িতে পেঁয়াজের ফলন ভালো হলেও বৃষ্টির আশঙ্কায় অপরিণত পেঁয়াজ তুলে লোকসানের ভয়ে কৃষকরা।
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হালতি বিলসহ বিভিন্ন বিলের ৭৪ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের বীজের চাষ করা হয়েছে। যা গত মৌসুমের তুলনায় ১৩ হেক্টর বেশি। কিন্তু মৌমাছির সংকটে পরাগায়ন পর্যাপ্ত না হওয়ায় বীজ তৈরি হচ্ছে না। পরাগায়নের অভাবে শুকিয়ে মরে যাচ্ছে ফুল।
এ অবস্থায় কৃষি অফিসের কোনো সহযোগিতা ও পরামর্শ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। নিজেদের উদ্যোগেই মৌমাছির বক্স ভাড়া করে এনে পরাগায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এতে কাজ হবে কিনা তা তারা জানেন না।
কৃষকদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে নাটোরের কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আলহাজ্ব উদ্দিন আহমেদ বলেন, পরাগায়নের জন্য জমিতে মৌমাছির বক্স বসানোর জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।
এদিকে, রাজবাড়িতে পেঁয়াজ চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২৬ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে।
তবে বৃষ্টির আশঙ্কায় আগেভাগেই অপরিণত পেঁয়াজ জমি থেকে তুলে ফেলেছেন কৃষকরা। নায্য দাম না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।