ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর নিয়ে জটিলতার জের ধরে চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না শেরপুরের চামড়া ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ায় জেলার ব্যবসায়ীরা লোকসানের আশঙ্কা করছেন। সেইসঙ্গে, এ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও পড়েছেন বিপাকে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, শেরপুর জেলায় ছোট বড় প্রায় ১০ থেকে ১২টি চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরন গুদাম রয়েছে। কাঁচা গুদাম রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি। এসব গুদামের ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর প্রায় ২ কোটি টাকার চামড়া ঢাকার ট্যানারীতে এনে বিক্রি করেন।
সম্প্রতি ঢাকার হাজারিবাগের ট্যানারী শিল্প সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে সাভারের ট্যানারী শিল্প এখনো পুরোপুরি চালু না হওয়ায় সেখানে কেউ চামড়া নিচ্ছে না।
এদিকে, ঢাকার হাজারিবাগে ঢুকতে না দেয়ায় চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না শেরপুরের ব্যবসায়ী ও ফড়িয়ারা। এতে করে, বিভিন্ন আড়তে পড়ে থেক নষ্ট হতে বসেছে মজুদ চামড়া। সেইসঙ্গে বাজারে দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন এ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
চামড়া বিক্রি না হওয়া ব্যবসায়ীদের লাখ লাখ টাকা আটকা পড়ে আছে। তার ওপরে, লবনের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচ।
এ অবস্থায় চামড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা অন্য পেশার দিকে ঝুঁকতে পারেন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।