গাজীপুরে ২০০৪ সালের ৭ মে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার। ২০০৫ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায় হলেও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার জন্য হত্যাকারীদের শাস্তি কার্যকর করা যায়নি।
মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ আহসানুল্লাহ মাস্টার বেশি পরিচিত ছিলেন শ্রমিক নেতা হিসেবেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদের প্রতিটি নির্বাচনেই জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে। দুই দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন গাজীপুর-২ আসন থেকে।
২০০৪ সালের সাত মে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে গাজীপুরের মানুষ।
২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায় হয়। রায়ে মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনের ফাঁসি এবং ছয় জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। এরমধ্যে প্রধান আসামিসহ ১৬ জন কারাগারে রয়েছে, মারা গেছে ২ জন আর বাকি ১০ জন পলাতক। বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার জন্য এ রায় এখনো কার্যকর হয়নি।
ছেলের কবরের পাশে আজো নীরবে কাঁদেন মা। হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখে যেতে চায় তার পরিবার।
রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানালেন আহসানুল্লাহ মাস্টারের ছেলে গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল।