বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলায় চলছে চরম খাদ্য সংকট— প্রায় দুই হাজারের মতো পাহাড়ি পরিবার আলু, কুমড়া, কলা ও লতাপাতা সেদ্ধ খেয়ে কোনো রকমে বেঁচে রয়েছেন।
বৈরি আবহাওয়ার কারণে জুম চাষ ব্যহত হওয়ায় এ সংকট আরো তীব্র হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ওই এলাকায় চাল সরবরাহ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই কম।
কয়েক টুকরো আলু সিদ্ধ থানচি উপজেলার প্রায় প্রতিটি পরিবারটির দুপুরের খাবার। বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রী ও তিন্দু ইউনিয়নের প্রায় দুই হাজার পরিবারের চিত্র এমনই। আলু সিদ্ধ, কলা সিদ্ধ কিংবা লতাপাতা সিদ্ধ খেয়ে বেঁচে আছেন তারা।
চলতি মাসের প্রথম থেকেই চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন পাহাড়িরা। গেলো মৌসুমে বৃষ্টিতে এ অঞ্চলে বিশেষ করে থানচি উপজেলায় জুমচাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
ধান কিংবা কোনো ফসলই বলতে গেলে ঘরে তুলতে পারেননি পাহাড়িরা। যতোটুকু ফলন পেয়েছে তা ২/১ মাসেই শেষ হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার জরুরি ভিত্তিতে এ এলাকায় ৪৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
এ সংকট আগামী অক্টোবর পর্যন্ত চলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন। এদিকে, দুর্গম এলাকার পাহাড়িদের খাদ্য সংকট মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন থানচির বাসিন্দারা।