খাদ্য সংকটে অনাহারে থাকা বান্দরবানের থানচি উপজেলার প্রায় ৩২০টি পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। দুর্গম এলাকায় নৌকায় করে চাল পাঠাতে বেশি সময় লাগার কারণে বিজিবির সহায়তায় হেলিকপ্টার যোগেও পাঠানো হচ্ছে চাল।
তবে সরকারের বরাদ্দ করা চাল প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত-বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গেলো মৌসুমে বৃষ্টিতে পার্বত্য অঞ্চলে বিশেষ করে বান্দরবানের থানচির দুর্গম রেমাক্রী ও তিন্দু উপজেলায় জুমচাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ধান কিংবা কোনো ফসলই বলতে গেলে ঘরে তুলতে পারেননি পাহাড়িরা।
যতোটুকু ফলন পেয়েছে তা দুএকমাসেই শেষ হয়ে যায়। চলতি মাসের প্রথম থেকেই চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন পাহাড়ের বাসিন্দারা। আলু, কলা আর লতাপাতা সেদ্ধ খেয়ে কোনমতে তারা বেঁচে আছেন।
দুর্গম এলাকার পাহাড়িদের এ খাদ্য সংকট নিরসনে সরকার জরুরি ভিত্তিতে ১৪৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়। শনিবার থেকে পর্যায়ক্রমে এ চাল পাঠানো শুরু হয়েছে। প্রথমে কিছু চাল নৌকায় করে দুর্গত এলাকায় পাঠানো হয়। কিন্তু এভাবে চাল পাঠাতে প্রায় বেশ সময় লেগে যায়।
তাই বিজিবির সহায়তায় হেলিকপ্টার যোগে চাল পাঠানো হচ্ছে। ৩৬০টি পরিবারের মধ্য সোমবার ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় এই বরাদ্দ অপ্রতুল।
তবে বিষয়টি সরকারের নজরে আছে বলে জানালেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপমন্ত্রী বীর বাহাদুর।