পছন্দ অনুযায়ী প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ না দেয়ায় বুধবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক নির্বাচনী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সকাল ১১টা থেকে বারোটার মধ্যে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলার নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেনকে ডেকে নিয়ে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। সেখানে মোস্তাফিজুর রহমান জাহিদ হোসেনকে মারধর শুরু করেন।
সাংসদের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে জানান জাহিদ হোসেন। তাদের মধ্যে ওলামা লীগ নেতা মাওলানা আক্তারও ছিলেন বলে জানান। জাহিদকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে আনা হয়েছে।
জাহিদ হোসেন অভিযোগ অভিযোগ করেন, বাঁশখালির ৪ নম্বর বাহারছড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলাম প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য তাকে একটি তালিকা দিয়েছিলেন। তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ না দেয়ায় তাকে মারধর করা হয়ে। ঘটনার সময় তাজুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। তবে ইউএনও তার কার্যালয়ে ছিলেন না।
জানা যায়, তাজুল ইসলামকে সাংসদ মোস্তাফিজের এপিএস হিসেবেই চেনেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীরা। আর এপ্রিলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনার পর আলোচনায় এসেছিলেন সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান।
এদিকে, সংবাদ মাধ্যমের কাছে নির্বাচনী কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান।
নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান বিষয়টি আঞ্চলিক কর্মকর্তা আব্দুল বাতেনকে জানালে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশন বাঁশখালির সব ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করে অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে।