ঝিনাইদহে পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলি হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন; মামলায় আসামিদের অজ্ঞাত রাখা হয়েছে। এদিকে, পুরোহিত হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনের দুই কর্মকর্তা। তারা নিহতের স্বজনদের সঙ্গেও দেখা করেন।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঝিনাইদহে পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলি হত্যার ঘটনায় বুধবার সকাল দশটায় ভারতীয় হাই কমিশনের পলিটিক্যাল এন্ড ইনফরমেশন বিভাগের ফার্স্ট সেক্রেটারি রমা কান্ত গুপ্ত ও কনসুলার সেকশনের ফ্রাস্ট সেক্রেটারি রাজেশ উসিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে তারা নিহতের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ হত্যার বিচারের আশ্বাস দেন তারা। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি প্রনব কান্তি দাস ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলতাফ হসেন।
এদিকে, এ হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে অরুন কুমার গাঙ্গুলি অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মঙ্গলবার সকালে পুরোহিত আনন্দ গোপাল নলডাঙ্গা মন্দিরে পুজা দিতে যাবার পথে মহিষডাঙ্গায়, মোটরসাইকেলে করে আসা তিন যুবক তাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে। সাম্প্রতিক সময়ের টার্গেট কিলিংয়ের সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের মিল রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।
এদিকে, হত্যার কয়েক ঘন্টার মধ্যে মঙ্গলবারই, জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এর দায় স্বীকার করে একটি বিবৃতিও দেয়।