নীলফামারীতে ভারী বৃষ্টি আর উজানের পাহাড়ি ঢলের ফলে বুধবার তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টি আর উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তার পানি বেড়ে গিয়ে বিপদীমা অতিক্রম করে।
বুধবার সকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫২.৬৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপদসীমা ৫২.৪০ সে.মি.)। পানির গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি স্লইচ গেট খুলে রাখা হয়েছে।
এদিকে, পানি অতিরিক্তবৃদ্ধির ফলে তিস্তা অববাহিকার নিম্নাঞ্চল এখন পানিতে নিমজ্জিত হয়ে জেলার ডিমলা উপজেলার, ছাতুনামা, ঝাড় সিংহের চর, কিসমত ছাতনাই, উত্তর খড়িবাড়ী, পুর্ব খড়িবাড়ী, দোহল পাড়া, চর খড়িবাড়ী, ভাসানীর চর, টাবুর চর, ছোট খাতা, ভেন্ডাবাড়ী, বাইশ পুকর এলাকার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার উজানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ডিমলা উপজেলার ৯নং টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চড় খড়িবাড়ী গ্রামের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত যৌথ বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে।
গত ২ দিনে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধটিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে তিস্তা পাড়ের ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে।
তাই এলাকাবাসী মাইকিং করে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করছেন।