রাজধানীর গুলশানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় হামলাকারীর মধ্যে খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল নামে একজনের বাড়ি বগুড়ায় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ছবি দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন তারা।
স্থানীয় মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করে দুই বছর আগে ঊচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীতে আসে সে। প্রায় ছয় মাস ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খায়রুলের কোনো যোগাযোগ ছিল না বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
গুলশানে রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিহত পাঁচ জঙ্গির ছবি এরইমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এদের মধ্যে বাধন নামের এক হামলাকারী বগুড়ার বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। পুলিশের তালিকায় বাধন নাম থাকলেও স্থানীয়দের কাছে সে খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল নামে পরিচিত।
রোববার সন্ধ্যায় বাধনের বাবা-মা, বড়বোন ও ভগ্নিপতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। তারা ছবি দেখে তাকে খায়রুল ইসলাম পায়েল বলে সনাক্ত করে।
পরে সোমবার সকালে বড়বোন ও ভগ্নিপতিকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, খায়রুলেন বাবা-মা মরদেহের ছবি দেখে শনাক্ত করেছে। সে হচ্ছে খায়রুল ইসলাম পায়েল ওরফে বাধন।’
খায়রুল শাহজাহানপুর উপজেলার বিহিগ্রাম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করে দুই বছর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। গত ছয় মাস ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না।
পরিবারের দাবি, অভিমান করে সে বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রেখেছিল। এ কারণে এ বিষয়ে তারা থানায় কোন অভিযোগ করেনি।