সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ-বুধবার ঈদুল ফিতর পালন করছেন দেশের প্রায় ১০ জেলার শতাধিক গ্রামের মানুষ।
সকালে ওইসব গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে— নামাজ শেষে একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি আর কুশল বিনিময় করেছেন মুসল্লীরা।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বুধবার ঈদুল ফিতর পালন করছেন বরিশালের ৩ উপজেলার ৭টি গ্রামের মানুষ। সকালে গ্রামগুলোতে ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন তারা।
বদরপুর দরবার শরীফসহ পটুয়াখালীর ৬ উপজেলার ২০টি গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদুল ফিতরের নামাজ। ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এখানে ঈদ পালিত হয়ে আসছে।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার শেষে ঈদ উদযাপন করছেন চাঁদপুরের ৫ উপজেলার ৪০ গ্রামের মানুষ। পিরোজপুরের ৭ গ্রামে ঈদ পালন করছেন সুরেশ্বর সম্প্রদায়ের ৭ শতাধিক পরিবার।
এদিকে, ভোলার ৪ উপজেলাতেও মাইজভাণ্ডারি ও সাতকানিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরাও ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। একইভাবে চট্টগ্রামের ৩০টিরও বেশি গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদ।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার কলাদিয়া উত্তর পাড়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদের জামাত। ঈদের নামাজের জামাতে নারীরাও অংশ নেন। দশ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে এখানে রমজান ও ঈদ পালিত হচ্ছে।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর পালন করছেন দিনাজপুরের ২ হাজার পরিবারসহ মৌলভীবাজার ও শেরপুরের কয়েকটি গ্রামের অধিবাসীরাও। ঈদ উপলক্ষে তোরণ সাজানো হয়েছে গ্রামগুলোতে।