সারাদেশে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। দেশের বিভিন্ন ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদের জামাত। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও আবহাওয়া ভালো থাকায় শেষপর্যন্ত দেশের সবখানেই মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে আদায় করতে পেরেছেন ঈদের নামাজ।
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত। সকাল ১০টায় ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ ময়দানে ১৮৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে অংশ নেন লক্ষাধিক মুসল্লি। মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ জামাতের ইমামতি করেন।
নামাজ শেষে ইসলামের নামে মানুষ হত্যা বন্ধ করে দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
রাজশাহীর প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় হযরত শাহ মখদুম (র.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮টায়। এছাড়া, মহানগরীর দেড়শ স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রামের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে। এছাড়া নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের দেড়শ স্থানে ঈদের জামাত আদায় করেন মুসল্লিরা।
সিলেটে ঈদ উল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় নগরীর ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ ময়দানে।
খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় টাউন হল জামে মসজিদে। এছাড়া নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশালে হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত। এছাড়া, সকাল ৯টায় জেলার সবচেয়ে বড় ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে চরমোনাই ঈদগাহে।
কুমিল্লায় সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত। যশোরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে।
রংপুরে ঈদের নামাজের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কালেক্টরেট ঈদগাহে। সিটি মেয়র, জেলা প্রশাসকসহ সর্বস্তরের মানুষ নামাজ আদায় করেন এতে।
যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উল আযহার নামাজের জামাত আদায় করা হয় রাজশাহী, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, রাজবাড়ী, বরগুনা, শরীয়তপুর, জামালপুর, নড়াইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
এছাড়া, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, কুড়িগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, সাতক্ষীরা, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের বিভিন্ন ময়দানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।