নাটোরের বনপাড়ায় খ্রিষ্টান মুদি দোকানী সুনীল গোমেজকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ৩ সপ্তাহ পেরোলেও কোনো কিনারাই করতে পারেনি পুলিশ। তারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের কথা বললেও কার্যত এ মামলায় এখনো নেই কোনো অগ্রগতি।
নিহতের স্বজনরা চান, তদন্তের দীর্ঘসূত্রীতায় হত্যাকারীরারা যেন আড়ালে চলে না যায়। জঙ্গিগ্রুপ আইএস এরই মধ্যে সুনীল গোমেজ হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় বসবাস শান্তিপ্রিয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের। গত ৫ জুন বৃদ্ধ মুদি দোকানী সুনীল গোমেজ নৃশংসভাবে খুন হওয়ার পর এখনো সেখানে বিরাজ করছে আতঙ্ক। পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আশ্বাস দেয়া হয়।
তবে সুনীলের বাড়ির দুই ভাড়াটিয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়া ছাড়া এ মামলায় আর কোনো অগ্রগতি নেই। মামলার দীর্ঘসূত্রিতায় প্রকৃত খুনিরা পার পেয়ে যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কিত নিহতের স্বজনেরা।
নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন ডাকা টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বিদেশি কোনো শক্তির ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ ধরনের হত্যকাণ্ড হচ্ছে।
এদিকে, নাটোর পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জী বলেন, খ্রিস্টান পল্লীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সুনীল গোমেজকে হত্যার পর সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের ওয়েবসাইটে জঙ্গিগ্রুপ আইএস এই হত্যার দায় স্বীকার করে। হত্যাকাণ্ডের ধরণ দেখে এর নেপথ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী রয়েছে বলে পুলিশও সন্দেহ করছে।