মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, সাহার আলী, আব্দুল জলিল, হাতেম আলী, আবুল হোসেনসহ অনেকের পরিবারই এখন নিঃস্ব। তিস্তা নদীর করাল গ্রাসে সর্বহারা এসব পরিবার আশ্রয় নিয়েছে সিলট্রাফ বাঁধ, কলম্বিয়া বাঁথসহ তিস্তার বাজারে।
কেউ কেউ মাথা গোঁজার ঠাইটুকু তৈরি করতে পারলেও অনেকেই আছেন খোলা আকাশের নীচে। বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া ত্রাণ অপ্রতুলতার কারণে তাদের দিন কাটছে অনেকটাই অনাহারে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, তিস্তা ব্যারেজের উজানে টেপা খড়িবাড়ি ইউনিয়ণের চর খড়িবাড়ি, একতার চর, জিঞ্জিরপাড়াসহ আরো বেশ কিছুচরে বসবাস করতো অন্তত দুই হাজার পরিবার। ছিল আবাদি জমি, ধান, চাল, গরু-ছাগল।
তবে এবারের বর্ষায় তিস্তা নদী থেকে বের হয়ে আসা একটি নতুন চ্যানেলের পানিতে তলিয়ে গেছে এসব জায়গা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ায় লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার শংকায় পড়েছেন এসব জায়গার শিক্ষার্থীরা।
আর বাঁধে আশ্রয় নেয়া এসব মানুষ খাবার নিরাপদ পানি সরববারসহ সরকারে সার্বিক সহযোগিতার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে, বিভিন্ন উচু স্থানে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার দেয়ার কথা জানিয়েছেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন।