মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলার হাওর এলাকায় কমপক্ষে চল্লিশটি গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন।
বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ার কারণে এসব এলাকার মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ— এ ছাড়া, কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রায় ১১০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষাবাদ।
বন্যায় মৌলভীবাজারে কুশিয়ারা নদীর পানিপ্রবাহ থেকে কাউয়াদিঘী হাওর এলাকার ফসল রক্ষা ও ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষে ১৯৮৩ সালে মনু প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। শুষ্ক মৌসুমে সেচের মাধ্যমে চাষাবাদ নিশ্চিত করা ও বর্ষা মৌসুমে বন্যা প্রতিরোধ ও পানি নিষ্কাশনই এ প্রকল্পের কাজ।
কিন্তু পানি নিষ্কাশনের অভাবে হাওড়বেষ্টিত জেলা সদর ও রাজনগর উপজেলার ১১ ইউনিয়নের ২৫ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছেন। যাতায়াতের ক্ষেত্রেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
আর দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকায় প্রকল্প এলাকার কৃষিজমি কচুরিপানা ও ঘাসে ছেয়ে গেছে। এতে ১১ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে রোপন আমন ধানের চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না।
কৃষকদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড গত কয়েক বছর ধরে নানা অজুহাতে সেচ না দেয়ায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে করবেন এমনটাই প্রত্যাশা হাওরবাসীর।