গাইবান্ধায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও হিংস্র হয়ে উঠেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। কামারজানি পয়েন্টে নদের তীব্র ভাঙনে জমি-জমা ও বাড়ি-ঘর বিলীন হয়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত নদী তীরের মানুষ। বাঁশের পাইলিং ও বালির বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকাতে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন এলাকাবাসী।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, স্থায়ীভাবে প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন রোধ সম্ভব নয়।
এদিকে, বরিশালে কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে বিলীন হতে চলেছে দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর প্রতিষ্ঠিত একমাত্র গ্রন্থাগারটি।
গাইবান্ধায় এরইমধ্যে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কিন্তু পানি কমার সঙ্গে ক্রমেই খরস্রোতা রূপ ধারণ করেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। গত দুই দিনে এই নদের ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নে গোঘাট, মিস্ত্রিপাড়া, মাঝিপাড়া, ডালতিপাড়া ও নটকুপাড়া গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, আবাদি জমি ও মূল্যবান গাছপালা। ভাঙন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করতে এগিয়ে এসেছেন স্থানীয়রা।
ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সেলিম হোসেন।
এদিকে, বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে চরবাড়িয়া ইউনিয়নে বেড়ি বাধের ৩ কিলোমিটার এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে দার্শনিক আরজ আলী প্রতিষ্ঠিত লাইব্রেরি।
ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প অনুমদনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার বরিশাল
পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাজিদুর রহমান সরদার।