আসাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে আসা বুনো হাতিটিকে উদ্ধারের পর অনেকটাই বশ করা গেছে। জামালপুরের কয়রা গ্রামে এখন চলছে হাতিটিকে সুস্থ করার চেষ্টা। বন বিভাগের কর্মীরা জানান, শিগগিরই গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নেওয়া হবে হাতিটিকে।
আমাদের সংবাতদদাতা জানিয়েছেন, কখনো ডাঙায় কখনো আবার জলাশয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে ভারতের আসাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে আসা হাতিটি। পায়ে শিকল আর দড়ি নিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে ঐরাবত। বিশাল আকৃতির হাতিটি দেখতে ভীড় করছেন আশপাশের গ্রামের মানুষ। কৌতুহলী গ্রামবাসীদের অনেকে আবার প্রাণীটিকে খাবারও সরবরাহ করছেন।
প্রায় দেড় মাস চরাঞ্চলে দিগ্বিদিক ঘুরে বেড়ানোর পর বৃহস্পতিবার জামালপুরের সরিষাবাড়ির কয়রা গ্রামে হাতিটির নাগাল পায় বন বিভাগের উদ্ধারকারি দল। সেদিনই দুপুরে চেতনানাশক দেওয়ার পর রাতে হাতিটির জ্ঞান ফিরে আসে।
এরপর থেকে হাতির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আখ, কলাগাছ ও কলা খেতে দেওয়া হচ্ছে প্রাণীটি। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে স্যালাইনও।
হাতির নিরাপত্তায় পুলিশের ১৫ সদস্যের একটি দল রাত-দিন কাজ করছে।
কয়রা গ্রামেই কয়েকদিন হাতির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন বন কর্মকর্তারা। পরে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়া হবে এ বুনো হাতিটিকে।