ঝিনাইদহে আবারো বাড়ছে নিখোঁজের সংখ্যা— স্বজনদের অভিযোগ, সাদাপোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তারা নিখোঁজ রয়েছেন। সম্প্রতি নিখোঁজ এমন ১০ জনের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কোরাপাড়া বটতলা এলাকার হোসেন আলী মোল্লার ছেলে যুবলীগ কর্মী জাহিদ প্রায় ২ মাস ধরে নিখোঁজ।
স্বজনদের দাবি, জাহিদের কর্মস্থল স্থানীয় একটি পলিথিন ফ্যাক্টরি থেকে পুলিশ পরিচয়ে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ।
গত দুই মাসে সদর উপজেলার জাহিদ ছাড়াও নিখোঁজ হয়েছে সোহেল রানা, শিক্ষক মিনারুল, কালীগঞ্জের হোমিও চিকিৎসক আব্দুল হাইসহ কোটচাঁদপুর ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার ৯ জন।
নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পরিচয়ে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গত ১২ আগষ্ট নিখোঁজের ৭ দিন পর হরিণাকুন্ডু পুলিশ হত্যা মামলার আসামি জামাত নেতা ইদ্রিস আলী ওরফে পান্নার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে পুলিশের দাবি, সড়ক দুর্ঘটনায় তার (হরিণাকুন্ডু) মৃত্যু হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে পুলিশের কোনো কর্মকর্তাই ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।