রাজবাড়ী জেলার চারটি উপজেলায় বন্যার পানি নেমে গেলেও এখনো পুরোদমে চালু করা যায়নি ৪৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান।
অনেক শ্রেণীকক্ষের ভেতরে কাদা-মাটি থাকায় এগুলো এখনো ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠেনি।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, বানের পানিতে অনেকেরই জামাকাপড়, বইখাতা নষ্ট হয়ে গেছে।
এদিকে, বন্যায় ১৫ দিন শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ক্ষতি পোষাতে অতিরিক্ত ক্লাস নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর জৌকুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘ ২১দিন পর গত শনিবার থেকে আবারো শুরু হয়েছে শিক্ষাকার্যক্রম। তবে বিদ্যালয়টির শ্রেণী কক্ষে কাদামাটি আর দুর্গন্ধ রয়ে গেছে। যে কারণে এখনো অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাচ্ছে না।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, জলমগ্নতার কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় তাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখনো সড়কে পানি ও কাদা থাকায় বিদ্যালয়ে আসতে যেতে অসুবিধা হচ্ছে তাদের। এতে, শিক্ষার্থীদের জামা কাপড় ও বই খাতা নষ্ট হচ্ছে।
আর শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ আর যাতায়তের পথ ভাল না থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি অনেক কম। নদী ভাঙনে বেশ কিছু পরিবার অন্যত্র চলে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাও কমে গেছে।
জেলা শিক্ষা অফিসার সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বন্যার কারণে রাজবাড়ী জেলার যেসমস্ত বিদ্যালয় বন্ধ ছিল সেগুলোতে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এবারের বন্যায় জেলার ৩৫টি প্রাথমিক ও ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ ছিল।