প্রবল বর্ষণে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে জমির ফসল, মাছের ঘের ও বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘর-বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় গৃহহারা মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু সড়ক আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
এদিকে, পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা রাজবাড়ি সদর উপজেলার ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। আর ভোলা সদরে বন্যার পর এখন নদী ভাঙনে বাড়ি-ঘর হারা শতাধিক পারিবার আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
নিম্নচাপের কারণে গত কয়েকদিনে যশোরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। অবিরাম বর্ষণে জেলার মণিরামপুর উপজেলার জমির ফসল, মাছের ঘের ও বসত বাড়ি তলিয়ে গেছে পানিতে।
ভাঙন কবলিত ও দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে –বলে জানিয়েছেন মণিরামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান।
রাজবাড়ি সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা, নয়নসুখ ও দেওয়ানপাড়া গ্রামের পাঁচ শতাধিক বাড়ি-ঘর, কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিলীন হয়ে গেছে ৩০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত দুশ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী মিয়াবাড়ির একাংশ।
নদী ভাঙনে হুমকির মুখে শহর রক্ষা বাঁধও— দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে বলে জানান রাজবাড়ি-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী।
এদিকে, ভোলা সদরের ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নে জোয়ারের পানি ও নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক পরিবার। বন্যার পানি নেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সব হারিয়ে এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল বলে দুর্গতরা অভিযোগ করেছেন।
দুর্গতদের পুনর্বাসনে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী তোফায়েল হোসেন।