নাটোর সদর উপজেলার খোলাবাড়িয়া গ্রামে ঔষধি গুণাগুণ সমৃদ্ধ গাছ চাষ করা হয়। গ্রামের প্রায় ৮০০ পরিবার এই ঔষধি গাছ চাষের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ‘ঔষধি গ্রাম’ হিসেবেই পরিচিত হয়ে উঠেছে গ্রামটি।
এসব গাছ চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে অনেকেই হয়ে উঠেছেন স্বাবলম্বী। ঔষধি গাছ চাষের প্রসারের জন্য সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন এলাকার চাষীরা।
নাটোর শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের গ্রাম খোলাবাড়িয়া। গ্রামে ঢুকতেই বিস্তীর্ণ জমি জুড়ে চোখে পড়ে ভেষজ গুন সমৃদ্ধ ঔষধি গাছ। মিছরী দানা, ভূঁইকুমড়া, তুলশী, হরতকী, আমলকি, বাসক, ঘৃতকাঞ্চন, শতমূলসহ প্রায় চারশো প্রকারের ঔষধি গাছের চাষ করা হয় এই গ্রামে।
ঔষধি গাছ চাষের পাশাপাশি চাষীরা তা প্রক্রিয়াজাত করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারী ব্যবসায়ীরা গিয়ে তাদের কাছ থেকে এসব কিনে আনেন। এতে করে পাল্টে গেছে চাষীদের জীবন। অনেকেই খুঁজে পেয়েছেন কর্মসংস্থানের উপায়। তবে, পুঁজি স্বল্পতার কারণে চাষাবাদ বাড়াতে পারছেন না চাষীরা।
পর্যাপ্ত ঋণ সহায়তা পেলে ঔষধি গাছের চাষ আরো বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তারা।
নাটোরের খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলহাজ উদ্দিন আহাম্মেদ বলেন, চাষের প্রসার বাড়লে এখানকার ঔষধি পণ্য বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।