গাজীপুরের হাজীরপুকুর-টঙ্গী ও টাঙ্গাইলে অভিযান চালিয়ে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-জেএমবির ৭ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
তারা হল: ফিরোজ, সাইদুল, জেএমবি সদস্য শাহাবুদ্দিন, ‘আহলে হাদিসের’ নেতা আবদুল হাই, জুয়েল মিয়া ও আবু সাইদ ওরফে সবুজ।
র্যা ব-১ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আজম সাংবাদিকদের বলেন, টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের জেএমবির ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার রাশেদুজ্জামান রোজ, জেএমবি সদস্য শাহাবুদ্দিন ও আহালে হাদিসের নেতা আবদুল হাইকে আটক করা হয়।
পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোর ৫টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর হাজীরপুকুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ২টি ইলেকট্রনিক্স ও স্টেশনারি দোকানে অভিযান চালিয়ে ফিরোজ ও সাইদুলকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে ২টি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ৮ রাউন্ড গুলি, ৩টি ককটেল, বিপুল পরিমাণ গানপাউডার জিহাদি বই, ১৬টি ধারালো ছুরি ও ২টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, নড়াইলে ৪ নারীসহ ৮ জামাতকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ— এ সময় তাদের কাছ থেকে জিহাদি বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।
টাঙ্গাইলে জামায়াতুল মুজাহিদীনের (জেএমবি) দুই 'সক্রিয় সদস্যকে' গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার রাতে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা ও বল্লভবাড়ী এলাকা থেকে তারা ধৃত হয়। এছাড়া বোমা তৈরির কৌশলপত্র ও সরঞ্জাম, চাপাতি এবং জিহাদি বইও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তারা হল—জুয়েল মিয়া (২৬) ও আবু সাইদ ওরফে সবুজ (২৪)। জুয়েল মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের ছমেদ আলীর ছেলে। আর সবুজ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাগরা কলোনি এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
বুধবার টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলা ডিবির একটি দল কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে জেএমবি সদস্য জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাত আড়াইটায় উপজেলার বল্লভবাড়ী গ্রামের আতোয়ারের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া জেএমবির আরেক সদস্য সবুজকে ধরা হয়।
তিনি আরো বলেন, সুবজের ঘর থেকে বারুদ, অ্যামোনিয়া, ক্যাপাসিটর, সার্কিটসহ বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম, বোমা তৈরির ম্যানুয়েল, একটি চাপাতি ও জিহাদি বই, জেএমবির প্রশিক্ষণের বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিডিও সম্বলিত মেমোরিকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।