কুমিল্লার লাকসামে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার পৌরসভা এলাকার ছিলোনিয়া ব্রিজের কাছে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে
তারা হলেন মো. ইউনূস মিয়া (৬১), তার স্ত্রী শ্যামনা বেগম (৫৫) ও ছেলে ওমর ফারুক (৩২)। তাদের বাড়ি নোয়াখালী সদর উপজেলায়।
বাকি দুজন হলেন: লক্ষ্মীপুরের নুরুননবী (২৮) ও নোয়াখালীর লাতু মিয়া (৩৯)।
পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি নোয়াখালীর দিক থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল। শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার পৌরসভা এলাকার ছিলোনিয়া ব্রিজের কাছে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মাইক্রোবাসটি গভীর খাদে পানির মধ্যে পড়ে যায়।
হাইওয়ে পুলিশের লালমাই ফাঁড়ির সার্জেন্ট ইব্রাহিম খলিল বলেন, রাতেই পাঁচ জনের উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি আবদুল্লাহ জানান, দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ, লালমাই হাইওয়ে পুলিশ, লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও কুমিল্লা থেকে ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পানির নিচ থেকে দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাস ও নিহত যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, মাইক্রোবাস চালকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি— ধারণা করা হচ্ছে দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেছে।