ভারতের বিহারে বন্যাল হওয়ায়র ফলে ফারাক্কা বাধের সবগুলো গেইট খুলে দেয়ায় বিপজ্জনক গতিতে পানি বাড়ছে বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, এ গতিতে পানির উচ্চতা বাড়তে থাকলে পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মীর মোশাররফ হোসেন জানান, গঙ্গার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে ভারত ফারাক্কা বাধের ১০৬টি গেইটের সবগুলোই খুলে দিয়েছে।
এতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ৩৫টি এবং ভোড়ামারা উপজেলার ২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কমপক্ষে ৬০ হাজার মানুষ।
ব্যাপক ফসলহানীসহ দুর্গত এলাকার মানুষ খাবার ও পানির তীব্র সংকটসহ নানা দুর্ভোগে পড়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতে এখানে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে।
বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে আউশ ধানসহ কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাট, কাঁচা মরিচ। দুর্গত এলাকায় তীব্র খাদ্য সংকটের পাশাপাশি বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখে দিয়েছে।
গোবাদি পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন বানভাসী এলাকার মানুষেরা।
চিলমারী ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আহম্মেদ জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকায় দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর পাশাপাশি বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন।
এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নৈমূল হক বলেন, বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতির হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যে গতিতে নদীতে পানি বাড়ছে তাতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হার্ডিঞ্জ সেতু এলাকায় পদ্মার পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে।